মাস্টার্সের জন্য বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়ার পরিকল্পনা
বিদেশে মাস্টার্সের জন্য মাসভিত্তিক পরিকল্পনা: বিষয় বাছা, প্রোগ্রামের তালিকা, পরীক্ষা ও কাগজ প্রস্তুতি, ফান্ডিংয়ে আবেদন ও ভিসা। বানানো সময়সীমা নেই।

সংক্ষেপে: বিদেশে মাস্টার্সের পরিকল্পনা করুন প্রায় এক বছর আগে। ক্রম হলো: বিষয়, তালিকা, পরীক্ষা, কাগজ, আবেদন ও ফান্ডিং, অফার, ভিসা। প্রতিটি প্রোগ্রামের সময়সীমা আলাদা ও প্রতি বছর বদলায়, তাই আমরা কোনো সময়সীমা লিখছি না।
পরিকল্পনা
১ম থেকে ২য় মাস: সিদ্ধান্ত
- বিষয় এবং মাস্টার্সের ধরন (কোর্সভিত্তিক বা গবেষণা) ঠিক করুন।
- এই ডিগ্রি থেকে নিয়োগকর্তা বা ডক্টরাল প্রোগ্রাম কী চায়, দেখুন।
- আপনার ডিগ্রি ও গ্রেডের জন্য ভর্তির শর্ত যাচাই করুন। দেখুন অনার্স বা ব্যাচেলরের পর বিদেশে পড়া।
২য় থেকে ৪র্থ মাস: তালিকা ও পরীক্ষা
- কয়েকটি দেশে ৮ থেকে ১০টি প্রোগ্রামের তালিকা করে ৪ থেকে ৬টিতে নামান।
- প্রতিটির টিউশন, থাকা-খাওয়ার খরচ ও কাজের নিয়ম দেখুন। বাজেটের উদাহরণে জার্মানিতে থাকার খরচ।
- ভাষা পরীক্ষার সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিন। বিকল্পের জন্য দেখুন IELTS ছাড়া বিদেশে পড়া।
৪র্থ থেকে ৭ম মাস: কাগজ ও আবেদন
- প্রতিটি প্রোগ্রামের জন্য আলাদা স্টেটমেন্ট অব পারপাস লিখুন, সবার জন্য একটি নয়।
- রেফারেন্স আগেভাগে চান, আর রেফারিকে সিভি ও সময়সীমা দিন।
- সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট গুছিয়ে নিন। দেখুন সনদ অ্যাটেস্ট করার নিয়ম।
- আবেদন করুন, আর সময়সীমা ও লগইনের একটি টেবিল রাখুন।
একই সময়ে ফান্ডিং
অফারের পর
- অফার গ্রহণ করুন, অফারে যেভাবে লেখা আছে সেভাবেই ডিপোজিট দিন, আর ভিসা শুরু করুন। দেখুন স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন।
সাধারণ ভুল
- যে প্রোগ্রামের শর্ত পড়েননি তাতে আবেদন করা।
- শুধু স্কলারশিপের কারণে প্রোগ্রাম বাছা।
- ভিসা শেষ মাসের জন্য ফেলে রাখা।
মূল কথা: প্রতিটি প্রোগ্রাম পেজের আসল তারিখ দিয়ে বানানো ক্যালেন্ডারই পরিকল্পনাকে কাজে পরিণত করে।
আপডেট লগ
- ৩০ অক্টোবর ২০২৬: লেখা; ৭ নভেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশের সময় নির্ধারিত। পরিমাণ ও তারিখ বদলায়, তাই কাজ করার আগে সরকারি পেজ দেখুন।



