অনার্স বা ব্যাচেলরের পর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা
ব্যাচেলর বা অনার্স শেষ করে বিদেশে মাস্টার্স করতে চান। কোন ক্রমে এগোবেন, ডিগ্রি নিয়ে কী যাচাই করবেন আর সাধারণ দেরি কীভাবে এড়াবেন।

সংক্ষেপে: ব্যাচেলর বা অনার্সের পর সাধারণ লক্ষ্য বিদেশে মাস্টার্স। ক্রমটা হলো: বিষয় ও দেশ বাছুন, আপনার ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য কিনা দেখুন, পরীক্ষা ও কাগজ প্রস্তুত করুন, প্রোগ্রাম ও ফান্ডিংয়ে আবেদন করুন, তারপর ভিসা।
ধাপে ধাপে
- আগে বিষয় ঠিক করুন। স্পষ্ট বিষয় (যেমন ডেটা সায়েন্স, পাবলিক হেলথ বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) থাকলে পরের সব সিদ্ধান্ত সহজ হয়।
- ৩ থেকে ৫টি দেশের তালিকা করুন। টিউশন, থাকা-খাওয়ার খরচ, ভাষা ও কাজের নিয়ম তুলনা করুন। দেখুন পড়াশোনার সেরা দেশ এবং বাজেট করার উদাহরণ হিসেবে জার্মানিতে থাকার খরচ।
- আপনার ডিগ্রি যাচাই করুন। কিছু দেশে চার বছরের ব্যাচেলর চায়। কিছু প্রোগ্রামে ন্যূনতম গ্রেড বা নির্দিষ্ট বিষয় লাগে। সারসংক্ষেপ নয়, ভর্তির শর্তের পেজটি পড়ুন।
- পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন। সাধারণত ইংরেজি লাগে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় যে বিকল্প নেয়, তার জন্য দেখুন IELTS ছাড়া বিদেশে পড়া। কিছু বিষয়ে অন্য পরীক্ষাও চায়।
- কাগজ জোগাড় করুন: সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট, পাসপোর্ট, রেফারেন্স, সিভি ও স্টেটমেন্ট অব পারপাস।
- যথেষ্ট সময় হাতে রেখে আবেদন করুন। অনেক সময়সীমা শুরুর কয়েক মাস আগে।
- একই সময়ে ফান্ডিংয়ে আবেদন করুন। দেখুন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ ও ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ।
- অফারের পর ভিসা শুরু করুন। দেখুন স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন।
সাধারণ ভুল
- বিষয়ের আগে দেশ বেছে নেওয়া।
- আপনার ডিগ্রির মেয়াদ গ্রহণযোগ্য কিনা না দেখা।
- সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একই স্টেটমেন্ট অব পারপাস লেখা।
- পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় কাগজ প্রস্তুতি পিছিয়ে দেওয়া।
মূল কথা: আগে বিষয়, তারপর দেশ, তারপর কাগজ, আর ফান্ডিংয়ে আবেদন একই সময়ে।
আপডেট লগ
- ৩০ অক্টোবর ২০২৬: লেখা; ৭ নভেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশের সময় নির্ধারিত। পরিমাণ ও তারিখ বদলায়, তাই কাজ করার আগে সরকারি পেজ দেখুন।


