ডিপ্লোমার পর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্য ডিপ্লোমাধারীদের বিদেশে পড়ার বিকল্প: ব্যাচেলরে ভর্তি, ক্রেডিট স্বীকৃতি আর বিশ্ববিদ্যালয় কী মানে তা যাচাইয়ের উপায়।

সংক্ষেপে: বাংলাদেশি ডিপ্লোমা (যেমন পলিটেকনিক ডিপ্লোমা) থেকে বিদেশে ব্যাচেলরে পড়া যাবে কিনা তা প্রতিটি দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভর করে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমাধারীকে ব্যাচেলরে ভর্তি করে, কিছু ক্রেডিট দেয়, আর কিছু ওই স্তরে ডিপ্লোমা স্বীকৃতিই দেয় না। পরীক্ষা বা আবেদনে টাকা খরচের আগে বিশ্ববিদ্যালয়কে লিখিতভাবে জিজ্ঞেস করুন।
কী যাচাই করবেন
- বিশ্ববিদ্যালয় কি ব্যাচেলরের জন্য আপনার ডিপ্লোমা মানে? নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের ভর্তির শর্ত দেখুন।
- ক্রেডিট পাবেন কি? কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমার বিষয় স্বীকৃতি দিলে ডিগ্রির মেয়াদ কমায়।
- ফাউন্ডেশন বা ব্রিজিং বছর লাগবে কি? জিজ্ঞেস করুন।
- কোন ভাষার স্তর লাগবে? দেখুন IELTS ছাড়া বিদেশে পড়া।
- গন্তব্য দেশে আপনার ডিপ্লোমা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত কি? বিশ্ববিদ্যালয় বা দূতাবাসকে জিজ্ঞেস করুন।
বাস্তব ক্রম
- ভর্তি অফিসে ছোট ইমেইল লিখুন, ডিপ্লোমা, বিষয় ও গ্রেডসহ, আর জানতে চান আপনাকে কোথায় বসানো হবে।
- উত্তর লিখিত আকারে রাখুন।
- যেসব প্রোগ্রাম স্পষ্টভাবে আপনার ডিপ্লোমা মানে, সেগুলো তালিকায় রাখুন।
- কাগজ গুছিয়ে নিন। দেখুন সনদ অ্যাটেস্ট করার নিয়ম ও HSC ও SSC অ্যাটেস্টেশন।
- ফান্ডিং খুঁজুন। দেখুন বিদেশি স্কলারশিপ: দেশ ধরে গাইড।
- ভিসা শুরু করুন। দেখুন স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন।
সাধারণ ভুল
- ডিপ্লোমাকে ব্যাচেলরের প্রথম কয়েক বছরের সমান ধরে নেওয়া।
- "সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষ"-এর আশ্বাস দেওয়া এজেন্টকে টাকা দেওয়া।
- ক্রেডিটের কথা না জিজ্ঞেস করে আবেদন।
তুলনায় দেখুন HSC-র পর বিদেশে পড়া ও অনার্স বা ব্যাচেলরের পর।
মূল কথা: বিশ্ববিদ্যালয় আপনার ডিপ্লোমাকে কীভাবে দেখে তা লিখিতভাবে জেনে তারপর পরিকল্পনা করুন।
আপডেট লগ
- ৩০ অক্টোবর ২০২৬: লেখা; ৭ নভেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশের সময় নির্ধারিত। পরিমাণ ও তারিখ বদলায়, তাই কাজ করার আগে সরকারি পেজ দেখুন।


